মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

এতিমখানা

এই ইউনিয়নে ৩টি এতিমখানা রয়েছে।

 

ঢাকা ও এর আশেপাশের এলাকায় অবস্থিত যেবৃদ্ধাশ্রম ও এতিমখানা বা শিশুপল্লী আছে সেসব প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা ও যোগাযোগ নাম্বার প্রয়োজন।
কারও জানা থাকলে অনুগ্রহ করে জানান।

বর্ণনা

এই সমাধির অবয়ব সর্বপ্রথম ১৮৩১ সালে পাহাড়ের উপরিভাগে একটি দেয়ালঘেরা আঙ্গিনার মাঝে আবিস্কার করা হয়। আঙ্গিনার ঠিক মাঝামাঝি একটি শবাধার অবস্থিত। পরবর্তীতে সমাধিস্থলটি আধুনিক কাঠামো দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। সমাধি পাহাড়ের পাদদেশে একটি তিন গম্বুজ বিশিষ্ঠ মোঘলরীতির আয়তাকার মসজিদ এবং একটি বিশালাকার দীঘি আছে। স্থাপত্যশৈলী থেকে ধারণা করা হয় মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব এর আমলে মসজিদটি নির্মিত।

জনশ্রুতি

যদিও বায়েজিদ বোস্তামীর নাম অনুসারে এই মাজার, ইরানের বিখ্যাত সুফী বায়েজিদ বোস্তামীর এই অঞ্চলে আগমনের কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি খুঁজে পাওয়া যায়না। ধারণা করা হয় সুফী সাধক ও আউলিয়াগণ চট্টগ্রামে ইসলাম ধর্ম প্রচারের সময় সচরাচর পাহাড় এর উপরে কিংবা জঙ্গল ঘেরা অঞ্চলে আবাস স্থাপন করেন এবং এসব জায়গাতে মাজার কিংবা এই ধরণের বিভিন্ন স্থাপনা প্রতিষ্ঠা করেন। বায়েজিদ বোস্তামীর মাজারটাও মূলত উনাকে উৎসর্গ করে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রতিরূপ মাত্র।

যদিও এলাকার জনশ্রূতি অনুযায়ী বায়েজিদ বোস্তামীর চট্টগ্রামে আগমনের ইতিহাস শুনতে পাওয়া যায়। চট্টগ্রামে অবস্থানের পরে প্রস্থানকালে ভক্তকূল তাকে থেকে যাবার অনুরোধ করলে উনি তাদের ভালোবাসা ও ভক্তিতে মুগ্ধ হয়ে কনিষ্ঠ আঙ্গুল কেঁটে কয়েক ফোঁটা রক্ত মাটিতে পড়ে যেতে দেন এবং ঐ স্থানে উনার নামে মাজার গড়ে তুলবার কথা বলে যান। এই জনশ্রুতির স্বপক্ষে অষ্টাদশ শতাব্দীর চট্টগ্রামের কিছু কবির কবিতার উল্লেখ করা হয় যেখানে শাহ সুলতান নামক একজন মনীষির নাম বর্ণিত আছে। বায়েজীদ বোস্তামীকে যেহেতু সুলতান উল আরেফীন হিসাবে আখ্যায়িত করা হয় যেই সূত্রে এই শাহ সুলতান আর সুলতান উল আরেফীন কে একই ব্যক্তি হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। [১][২][৩][৪]

বোস্তামীর কাছিম

বোস্তামীর কাছিম

বায়েজিদ বোস্তামীর মাজারের পাদদেশে একটি সুবিশাল দীঘি অবস্থিত। এর বাসিন্দা হিসাবে বোস্তামীর কাছিম ও গজার মাছ সুবিখ্যাত। আঞ্চলিকভাবে এদের মাজারী ও গজারী বলে আখ্যায়িত করা হয়। বোস্তামীর কাছিম আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি অত্যন্ত বিরল এবং চরমভাবে বিপন্নপ্রায় প্রজাতি। বর্তমানে বায়েজিদ বোস্তামীর মাজার প্রাঙ্গন ব্যতীত বিশ্বের আর কোথাও এদের দেখা মিলে না। মাজারের দেখাশোনার দ্বায়িত্বে থাকা মাজার তত্বাবধায়ক কমিটির লোকদের দ্বারাই এদের প্রতিপালন করা হয়। বর্তমানে মাজার প্রাঙ্গন সংলগ্ন এই দীঘিতে দেড়শো থেকে সাড়ে তিনশো কচ্ছপের আবাস রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। প্রজনন মৌসুমে মাজারের মূল পাহাড়ের পেছনে এদের জন্য সংরক্ষিত স্থানে এদের ডিম পাড়ার ব্যবস্থা করা হয়।

মাজারের ভক্তকূল ও আঞ্চলিক জনশ্রূতি অনুযায়ী মাজার প্রতিষ্ঠাকালে এই অঞ্চলে প্রচুর দুষ্ট জ্বীন এবং পাপীষ্ঠ আত্মার পদচারণা ছিলো। বায়েজিদ বোস্তামী তার এই অঞ্চলে ভ্রমনকালে এইসব দুষ্ট আত্মাকে শাস্তিস্বরূপ কাছিমে পরিণত করেন এবং আজীবন পুকুরে বসবাসের দণ্ডাদেশ প্রদান করেন। [৫]

ভুমিকা

ইউনিকোড ভিত্তিক লিখন পদ্ধতি চালু হওয়ার পর ইন্টারনেটে বাংলার ব্যবহার প্রচলন অনেক বেড়েছে। লিখতে-পড়তে অনেক সময় বানান বা অর্থের নিশ্চয়তা নিয়ে সংশয় জাগে। প্রয়োজন পড়ে অভিধান বা ডিকশনারির। হাতের নাগালে অভিধান না থাকায় বা অভিধান ঘাটতে গিয়ে অনেক সময় লেখার বা পড়ার মানসিকতা নষ্ট হয়ে যায়। আবার অভিধানের আকার বড় হবার ভয়ে প্রকাশকগন অনেক শব্দের অর্থ সংকুচিত এমনকি শব্দ বর্জন পর্যন্ত করে থাকেন বলে অনেক শব্দ অভিধানে পাওয়া মুশকিল হয়ে পড়ে। সময়ের সাথে চলতে গিয়ে এরকম অনেক সমস্যা চলার পথকে সংকীর্ণ করে তোলে। আর এরকম সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার আশা নিয়েই এভারগ্রীন বাংলার বাংলা আভিধানের যাত্রা শুরু। এভারগ্রীন বাংলা অভিধান কোনো মৌলিক অভিধান নয়। বিভিন্ন উত্স থেকে সাহায্য নিয়েই এই সংকলন। তবুও এর বৈশিষ্ট হলো এর ব্যাপকতা, প্রতিটি শব্দ নিয়ে প্রাপ্ত যাবতীয় তথ্যের সন্নিবেশ। 

অভিধানে বর্ণানুক্রমানুসারে এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে খুব সহজেই প্রয়োজনীয় শব্দটি খুঁজে বের করা যায়। সাথে থাকছে ইউনিকোড ভিত্তিক ‘সার্চ’-এর ব্যবস্থা। জানা যাবে নির্দিষ্ট বর্ণ দিয়ে শুরু শব্দের সংখ্যা। ইচ্ছে করলে ‘রেটিং’-এর মাধ্যমে জানা যাবে প্রিয় শব্দগুচ্ছের তালিকা। করা যাবে শব্দ নিয়ে মন্তব্য। মন্তব্য করার ব্যবস্থায় শব্দ নিয়ে খেলা করার সুবিধা–বাক্যরচনা, ছড়া, প্রিয় গানের চরন, কবিতার লাইন, নিজের অনুভুতি, স্মৃতিকথা, নিজের কাছে নির্দিষ্ট শব্দের অর্থ সহ নতুন নতুন ‘আইডিয়া’ যা এই বাংলা ভাষার ব্যবহারের গন্ডীকে আরো বাড়িয়ে তুলবে।

- See more at: http://www.ebangladictionary.com/about#sthash.OEYOdvkG.dpuf

ভুমিকা

ইউনিকোড ভিত্তিক লিখন পদ্ধতি চালু হওয়ার পর ইন্টারনেটে বাংলার ব্যবহার প্রচলন অনেক বেড়েছে। লিখতে-পড়তে অনেক সময় বানান বা অর্থের নিশ্চয়তা নিয়ে সংশয় জাগে। প্রয়োজন পড়ে অভিধান বা ডিকশনারির। হাতের নাগালে অভিধান না থাকায় বা অভিধান ঘাটতে গিয়ে অনেক সময় লেখার বা পড়ার মানসিকতা নষ্ট হয়ে যায়। আবার অভিধানের আকার বড় হবার ভয়ে প্রকাশকগন অনেক শব্দের অর্থ সংকুচিত এমনকি শব্দ বর্জন পর্যন্ত করে থাকেন বলে অনেক শব্দ অভিধানে পাওয়া মুশকিল হয়ে পড়ে। সময়ের সাথে চলতে গিয়ে এরকম অনেক সমস্যা চলার পথকে সংকীর্ণ করে তোলে। আর এরকম সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার আশা নিয়েই এভারগ্রীন বাংলার বাংলা আভিধানের যাত্রা শুরু। এভারগ্রীন বাংলা অভিধান কোনো মৌলিক অভিধান নয়। বিভিন্ন উত্স থেকে সাহায্য নিয়েই এই সংকলন। তবুও এর বৈশিষ্ট হলো এর ব্যাপকতা, প্রতিটি শব্দ নিয়ে প্রাপ্ত যাবতীয় তথ্যের সন্নিবেশ। 

অভিধানে বর্ণানুক্রমানুসারে এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে খুব সহজেই প্রয়োজনীয় শব্দটি খুঁজে বের করা যায়। সাথে থাকছে ইউনিকোড ভিত্তিক ‘সার্চ’-এর ব্যবস্থা। জানা যাবে নির্দিষ্ট বর্ণ দিয়ে শুরু শব্দের সংখ্যা। ইচ্ছে করলে ‘রেটিং’-এর মাধ্যমে জানা যাবে প্রিয় শব্দগুচ্ছের তালিকা। করা যাবে শব্দ নিয়ে মন্তব্য। মন্তব্য করার ব্যবস্থায় শব্দ নিয়ে খেলা করার সুবিধা–বাক্যরচনা, ছড়া, প্রিয় গানের চরন, কবিতার লাইন, নিজের অনুভুতি, স্মৃতিকথা, নিজের কাছে নির্দিষ্ট শব্দের অর্থ সহ নতুন নতুন ‘আইডিয়া’ যা এই বাংলা ভাষার ব্যবহারের গন্ডীকে আরো বাড়িয়ে তুলবে।

- See more at: http://www.ebangladictionary.com/about#sthash.OEYOdvkG.dpuf

ভুমিকা

ইউনিকোড ভিত্তিক লিখন পদ্ধতি চালু হওয়ার পর ইন্টারনেটে বাংলার ব্যবহার প্রচলন অনেক বেড়েছে। লিখতে-পড়তে অনেক সময় বানান বা অর্থের নিশ্চয়তা নিয়ে সংশয় জাগে। প্রয়োজন পড়ে অভিধান বা ডিকশনারির। হাতের নাগালে অভিধান না থাকায় বা অভিধান ঘাটতে গিয়ে অনেক সময় লেখার বা পড়ার মানসিকতা নষ্ট হয়ে যায়। আবার অভিধানের আকার বড় হবার ভয়ে প্রকাশকগন অনেক শব্দের অর্থ সংকুচিত এমনকি শব্দ বর্জন পর্যন্ত করে থাকেন বলে অনেক শব্দ অভিধানে পাওয়া মুশকিল হয়ে পড়ে। সময়ের সাথে চলতে গিয়ে এরকম অনেক সমস্যা চলার পথকে সংকীর্ণ করে তোলে। আর এরকম সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার আশা নিয়েই এভারগ্রীন বাংলার বাংলা আভিধানের যাত্রা শুরু। এভারগ্রীন বাংলা অভিধান কোনো মৌলিক অভিধান নয়। বিভিন্ন উত্স থেকে সাহায্য নিয়েই এই সংকলন। তবুও এর বৈশিষ্ট হলো এর ব্যাপকতা, প্রতিটি শব্দ নিয়ে প্রাপ্ত যাবতীয় তথ্যের সন্নিবেশ। 

অভিধানে বর্ণানুক্রমানুসারে এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে খুব সহজেই প্রয়োজনীয় শব্দটি খুঁজে বের করা যায়। সাথে থাকছে ইউনিকোড ভিত্তিক ‘সার্চ’-এর ব্যবস্থা। জানা যাবে নির্দিষ্ট বর্ণ দিয়ে শুরু শব্দের সংখ্যা। ইচ্ছে করলে ‘রেটিং’-এর মাধ্যমে জানা যাবে প্রিয় শব্দগুচ্ছের তালিকা। করা যাবে শব্দ নিয়ে মন্তব্য। মন্তব্য করার ব্যবস্থায় শব্দ নিয়ে খেলা করার সুবিধা–বাক্যরচনা, ছড়া, প্রিয় গানের চরন, কবিতার লাইন, নিজের অনুভুতি, স্মৃতিকথা, নিজের কাছে নির্দিষ্ট শব্দের অর্থ সহ নতুন নতুন ‘আইডিয়া’ যা এই বাংলা ভাষার ব্যবহারের গন্ডীকে আরো বাড়িয়ে তুলবে।

- See more at: http://www.ebangladictionary.com/about#sthash.OEYOdvkG.dpuf

ভুমিকা

ইউনিকোড ভিত্তিক লিখন পদ্ধতি চালু হওয়ার পর ইন্টারনেটে বাংলার ব্যবহার প্রচলন অনেক বেড়েছে। লিখতে-পড়তে অনেক সময় বানান বা অর্থের নিশ্চয়তা নিয়ে সংশয় জাগে। প্রয়োজন পড়ে অভিধান বা ডিকশনারির। হাতের নাগালে অভিধান না থাকায় বা অভিধান ঘাটতে গিয়ে অনেক সময় লেখার বা পড়ার মানসিকতা নষ্ট হয়ে যায়। আবার অভিধানের আকার বড় হবার ভয়ে প্রকাশকগন অনেক শব্দের অর্থ সংকুচিত এমনকি শব্দ বর্জন পর্যন্ত করে থাকেন বলে অনেক শব্দ অভিধানে পাওয়া মুশকিল হয়ে পড়ে। সময়ের সাথে চলতে গিয়ে এরকম অনেক সমস্যা চলার পথকে সংকীর্ণ করে তোলে। আর এরকম সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার আশা নিয়েই এভারগ্রীন বাংলার বাংলা আভিধানের যাত্রা শুরু। এভারগ্রীন বাংলা অভিধান কোনো মৌলিক অভিধান নয়। বিভিন্ন উত্স থেকে সাহায্য নিয়েই এই সংকলন। তবুও এর বৈশিষ্ট হলো এর ব্যাপকতা, প্রতিটি শব্দ নিয়ে প্রাপ্ত যাবতীয় তথ্যের সন্নিবেশ। 

অভিধানে বর্ণানুক্রমানুসারে এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে খুব সহজেই প্রয়োজনীয় শব্দটি খুঁজে বের করা যায়। সাথে থাকছে ইউনিকোড ভিত্তিক ‘সার্চ’-এর ব্যবস্থা। জানা যাবে নির্দিষ্ট বর্ণ দিয়ে শুরু শব্দের সংখ্যা। ইচ্ছে করলে ‘রেটিং’-এর মাধ্যমে জানা যাবে প্রিয় শব্দগুচ্ছের তালিকা। করা যাবে শব্দ নিয়ে মন্তব্য। মন্তব্য করার ব্যবস্থায় শব্দ নিয়ে খেলা করার সুবিধা–বাক্যরচনা, ছড়া, প্রিয় গানের চরন, কবিতার লাইন, নিজের অনুভুতি, স্মৃতিকথা, নিজের কাছে নির্দিষ্ট শব্দের অর্থ সহ নতুন নতুন ‘আইডিয়া’ যা এই বাংলা ভাষার ব্যবহারের গন্ডীকে আরো বাড়িয়ে তুলবে।

- See more at: http://www.ebangladictionary.com/about#sthash.OEYOdvkG.dpuf

ভুমিকা

ইউনিকোড ভিত্তিক লিখন পদ্ধতি চালু হওয়ার পর ইন্টারনেটে বাংলার ব্যবহার প্রচলন অনেক বেড়েছে। লিখতে-পড়তে অনেক সময় বানান বা অর্থের নিশ্চয়তা নিয়ে সংশয় জাগে। প্রয়োজন পড়ে অভিধান বা ডিকশনারির। হাতের নাগালে অভিধান না থাকায় বা অভিধান ঘাটতে গিয়ে অনেক সময় লেখার বা পড়ার মানসিকতা নষ্ট হয়ে যায়। আবার অভিধানের আকার বড় হবার ভয়ে প্রকাশকগন অনেক শব্দের অর্থ সংকুচিত এমনকি শব্দ বর্জন পর্যন্ত করে থাকেন বলে অনেক শব্দ অভিধানে পাওয়া মুশকিল হয়ে পড়ে। সময়ের সাথে চলতে গিয়ে এরকম অনেক সমস্যা চলার পথকে সংকীর্ণ করে তোলে। আর এরকম সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার আশা নিয়েই এভারগ্রীন বাংলার বাংলা আভিধানের যাত্রা শুরু। এভারগ্রীন বাংলা অভিধান কোনো মৌলিক অভিধান নয়। বিভিন্ন উত্স থেকে সাহায্য নিয়েই এই সংকলন। তবুও এর বৈশিষ্ট হলো এর ব্যাপকতা, প্রতিটি শব্দ নিয়ে প্রাপ্ত যাবতীয় তথ্যের সন্নিবেশ। 

অভিধানে বর্ণানুক্রমানুসারে এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে খুব সহজেই প্রয়োজনীয় শব্দটি খুঁজে বের করা যায়। সাথে থাকছে ইউনিকোড ভিত্তিক ‘সার্চ’-এর ব্যবস্থা। জানা যাবে নির্দিষ্ট বর্ণ দিয়ে শুরু শব্দের সংখ্যা। ইচ্ছে করলে ‘রেটিং’-এর মাধ্যমে জানা যাবে প্রিয় শব্দগুচ্ছের তালিকা। করা যাবে শব্দ নিয়ে মন্তব্য। মন্তব্য করার ব্যবস্থায় শব্দ নিয়ে খেলা করার সুবিধা–বাক্যরচনা, ছড়া, প্রিয় গানের চরন, কবিতার লাইন, নিজের অনুভুতি, স্মৃতিকথা, নিজের কাছে নির্দিষ্ট শব্দের অর্থ সহ নতুন নতুন ‘আইডিয়া’ যা এই বাংলা ভাষার ব্যবহারের গন্ডীকে আরো বাড়িয়ে তুলবে।

- See more at: http://www.ebangladictionary.com/about#sthash.OEYOdvkG.dpuf


Share with :

Facebook Twitter