মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা

মো: খতিব উদ্দিন

 

কৃষি কর্তকর্তা

সাপ্টিবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ

কৃষিকার্য বা কৃষি (ইংরেজি: Agriculture) মানবজাতির আদিমতম পেশা হিসেবে চিহ্নিত। মানুষের জীবনধারনের জন্য শষ্য উৎপাদন কিংবা গৃহপালিত পশু রক্ষণাবেক্ষনের জন্যে যথোচিত খাদ্য এবং প্রয়োজনীয় কাঁচামাল উৎপাদন ও সরবরাহসহ বহুবিধ উদ্দশ্যে প্রতিপালনের লক্ষ্যে কৃষিকার্য নির্বাহ করা হয়। যিনি কৃষির সাথে সংশ্লিষ্ট তিনিই কৃষক

কৃষিকার্য প্রচলনের ইতিহাস হাজার হাজার বছরের পুরনো। আধুনিক পর্যায়ে এসে কৃষির উন্নয়ন ও উত্তরণ বহুমূখী জলবায়ু, সংস্কৃতি এবং উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের উপর বহুলাংশে নির্ভরশীল। সবধরনের কৃষিকাজই উপযুক্ত কলা-কৌশল প্রয়োগ ও ভূমির উপযুক্ততা নিরূপণপূর্বক ব্যবহার উপযোগী ফসল বপনের উপর নির্ভর করে। প্রয়োজনে সময়ে সময়ে ফসল বৃদ্ধিকল্পে প্রয়োজনীয় সেচও প্রয়োগ করতে হয়।

ফসল বৃদ্ধিকল্পে আধুনিক চাষাবাদে কীটনাশক, উদ্ভিদের পরাগায়ণ, সার প্রয়োগ এবং প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান উন্নয়নের মাধ্যমে ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটানোর প্রাণপন প্রয়াস চালানো হচ্ছে। এরফলে, পরিবেশের ভারসাম্যহীনতাসহ জীববৈচিত্র্যের ধ্বংসাযজ্ঞ দ্রুত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং মানব স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক ও বিরূপ প্রভাব ফেলছে।[১]

উৎপাদিত কৃষি পণ্য

উৎপাদিত কৃষি পণ্যকে কয়েকটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়েছে। তন্মধ্যে খাদ্য, তন্তুজাত পদার্থ, জ্বালানী এবং কাঁচামাল সামগ্রী অন্যতম। একবিংশ শতাব্দীতে এসে উদ্ভিদের সাহায্যে জৈবজ্বালানী, জৈবঔষধ, জৈবপ্লাস্টিকজাত পণ্য[২] উৎপাদনসহ ঔষধ শিল্পে[৩] ব্যবহার করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে দানাদার শষ্য, শাকসব্জী, ফলমূল এবং মাংস; তন্তুজাত দ্রব্যের মধ্যে তুলা, উল, দড়ি, রেশম এবং ফ্লাক্স; কাঁচামালের মধ্যে এবং বাঁশ অন্যতম। অন্যান্য প্রয়োজনীয় উদ্ভিদজাত পণ্যের মধ্যে রেজিন গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। জৈবজ্বালানী হিসেবে মিথেন, ইথানল এবং বায়োডিজেল রয়েছে। এছাড়া, ফুল বিক্রয়, চারাগাছ, পোষা প্রাণী, বিশেষ প্রজাতির মাছ, পাখি কৃষি পণ্য হিসেবে বিবেচিত। বিশ্বব্যাংকের নির্দেশনা ও লক্ষ্যমাত্রা অনুসারে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও জল ব্যবস্থাপনাকে ঘিরে উত্তরোত্তর বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিতর্কের পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে।[৪]

২০০৭ সালে বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ লোক কৃষির সাথে জড়িত ছিলেন। সেবা খাত হিসেবে কৃষিকে অর্থনৈতিক খাতে নিয়েছেন যাতে বিশ্বের অধিকাংশ লোক বিনিয়োজিত রয়েছেন।[৫] কিন্তু এর বিশাল কর্মক্ষেত্রতা, কৃষিজাত পণ্য উৎপাদন প্রভৃতি বিষয় থাকা স্বত্ত্বেও বৈশ্বিক মোট উৎপাদনশীলতায় এর অবদান ৫%-এর চেয়েও কম।

জ্বালানী ও কৃষি

১৯৪০-এর দশক থেকে কৃষি উৎপাদন অত্যন্ত নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রধান কারণ ছিল জ্বালানী নির্ভর যান্ত্রিক পরিবহন, সার এবং কীটনাশকের ব্যাপক ব্যবহার। তন্মধ্যে এ খাতে সবচেয়ে বেশী জ্বালানী এসেছে জীবাশ্ম বা কয়লাজাত জ্বালানী থেকে।[৬]

কৃষি নীতি

কৃষি নীতির মাধ্যমে কৃষিজাত পণ্য উৎপাদন, বিপণন, সরবরাহ পদ্ধতির উপর দিক-নির্দেশনা থাকে। সচরাচর কৃষিকার্যের নীতিমালা প্রণয়নের সময় নিম্নোক্ত প্রধান বিষয়াবলীর দিকে আলোকপাত করা হয় -

ছবি



Share with :

Facebook Twitter