মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

মামলার আবেদন

 

 

নাম
পিতার নাম      
মাতার নাম      

ঠিকানা

গ্রাম          
ডাক          
ইউনিয়ন          
উপজেলা      
জেলা          

অন্যান্য তথ্য

বৈবাহিক অবস্থা      
ছেলে সংখ্যা      
মেয়ে সংখ্যা      
শিক্ষাগত যোগ্যতা 

 

নাম
পিতার নাম      
মাতার নাম      

ঠিকানা

গ্রাম          
ডাক          
ইউনিয়ন          
উপজেলা      
জেলা          







ইতিহাস
লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার সাপ্টীবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ-এর খাতাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মোছাঃ মমতাজ বেগম পেশা শিক্ষক, মোছাঃ জাহানার বেগম গৃহিনী, এবং মোঃ আব্দুল জলিল একই গ্রামের মুদির দোকান্দার। প্রতিবেশী হিসেবে তাদের মধ্যে বেশ ভাল সম্পর্ক। **৪ সন্তানের জননী জাহানারা বেগম এর স্বামী মোঃ ফজলুল হক একজন শ্রমিক মানুষ দরিদ্রতা তাদের নিত্য দিনের সঙ্গী। আনুমানিক ৩-৪ বৎসর পূর্বে জাহানারা বেগম একই গ্রামের স্কুল শিক্ষিকা মোছা: মমতাজ বেগমের নিকট একটি গরু বর্গা নেওয়ার জন্য প্রস্তাব দেন। মমতাজ বেগম নিজের লাভ এবং জাহানারা বেগমের অসহায়ত্ব লাঘবের কথা চিন্তা  করে তাহার প্রস্তাবে রাজি হয়ে একটি গরু বর্গা দেন। গরুটি জাহানারা বেগম বেশ যতেœর সাথে লালন পালন করতে থাকেন। একদি একই গ্রামের প্রতিবেশী মো: আব্দূজ জলিল মুদির দোকানদার তার দোকানে বাকীর =১৫৪৩৭/- টাকা পরিশোধ নাকরার দ্বায়ে গরুটি  নিয়ে যায় এবং বাকীর দেনা পরিশোধ করে গরু নিয়ে যাওয়ার ঘোষনা দেন।
গরুর মালিক (বর্গা দানকারী) মোছাঃ মমতাজ বেগম এবং তাহার স্বামী মতিয়ার রহমান গত ০৫/১১/২০১০ ইং তারিখে সংবাদ পেয়ে গরু বর্গা গ্রহনকারী মোছাঃ জাহানারা বেগম ও মুদির দোকানদার মো: আব্দুজ জলিল কে ডাকিয়া গ্রামের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ (১) মোঃ নুরেজ্জামান (২২মোঃ সাইফুল ইসলাম (৩) মোঃ মনতাজ আলী (৪) আঃ ওয়াদুদ (৫)নজির সহ আরও অনেকের উপস্থিতিতে মোছাঃ জাহানারা বেগমের নিকট বর্গা দেওয়া গরু ফিরত চায়। এতে জাহানারা বেগম জানান যে, আমি জলিল এর দোকানে বাকী খেয়েছি সেই বাকীর টাকা পরিশোধ করতে না পারায় সে আমার নিকট হইতে উক্ত গরু জোর পূর্বক নিয়ে যায়। আঃ জলিল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন এবং উভয় মিলে একটি মুচলেকা লিখে দেন যে, ০৫/১১/২০১০ইং হতে ৪৫ দিনের মধ্যে জাহানারা বেগম টাকা পরিশোধ করে দোকারদারের নিকট হতে গরুটি গ্রহন পূর্বক মমতাজ বেগমকে ফিরত প্রদান করবেন। কিন্তু ৪৫দিন অতিবাহিত হওয়া সত্যেও জাহানারা বেগম মমতাজ বেগমকে তার গরুটি ফিরত দেন নাই। আজকাল করে সে ঘুরাতে থাকে।
অতপর গত ২০/০৫/২০১২ ইং তারিখে মমতাজ বেগম তাহার স্বামীকে নিয়ে জাহানারর বাড়ীতে যায় এবং মুদির দোকানদার আঃ জলিলকে ডেকে গরুটি ফিরত চায়। পক্ষান্তরে মমতাজ বেগম ও জলিল জাহানার বেগমকে অপমানজনক ভাবে তারাইয়া দেয়।
মমতাজ বেগম কোন দিসকুল না পাইয়া গ্রামের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গে দ্বারে বিচার প্রার্থী হন। এমতাবস্থায় একই গ্রামের সিবিও সদস্য এবং গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের পরামর্শে ৫নং সাপ্টীবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদে এসে উক্ত বিষয়ে সুবিচার প্রার্থী হয়ে গ্রাম আদালত গঠনের জন্য গত ২০/০৬/২০১২ ইং তারিখে একটি অভিযোগ পত্র পেশ করেন।
ফলাফলঃ
অভিযোগের প্রেক্ষিতে সমনজারী, উভয়পক্ষ্যের সদস্য মনোনয়ন, সদস্য উপস্থিতির অনুরোধ পত্র প্রেরণ সহ যাবতীয়
     


Share with :

Facebook Twitter